বিয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা

বিয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা
নারী-পুরুষ উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্য বিয়ে করা কল্যাণকর। সুখী দাম্পত্য জীবন বিষন্নতা, উদ্বিগ্নতা ও বিরক্তি কমিয়ে দেয়। আসুন জেনে নেয়া যাক বিয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলোঃ

০১. আয়ু বাড়েঃ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতরা তুলনামূলকভাবে বেশি দিন বেঁচে থাকে। বিবাহিতদের বেশিদিন বেঁচে থাকার পেছনে সঠিক কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় নি। তবে ধারণা করা হয়েছে যে, বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকার কারণে বেশি দিন শরীর সুস্থ থাকে ফলে আয়ু বৃদ্ধি পায়।

০২. শরীর সুস্থ থাকেঃ বিবাহিতদের সর্দি, কাশি, ফ্লু ও মাইগ্রেন ইত্যাদি অসুখ কম হয়। শুধু তাই নয়; বিবাহিতদের শরীরে ক্যান্সার, হার্টের অসুখ এবং হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে। গবেষকরা ১৭টি দেশের বিবাহিতদের স্বাস্থ্য অবস্থা, চিকিৎসা নেয়ার ধরণ ও সুস্থ হওয়ার সময়কালের উপর গবেষণা চালিয়ে এই ফল পেয়েছেন। বিবাহিতদের সুস্থতার একটি কারণ হতে পারে তাঁরা একে অপরকে খারাপ অভ্যাস যেমন: ধূমপান, মদ্যপান ত্যাগ করতে সাহায্য করে এবং ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখে।


০৩. মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকেঃ বিবাহিতদের মানসিক অসুস্থতা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। বিবাহিত দম্পতিরা বিভিন্ন সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে এবং একাকীত্বে ভোগে না। তাই তাদের মানসিক স্বাস্থ্য অবিবাহিতদের তুলনায় ভালো থাকে।


০৪. হার্ট ভালো থাকেঃ ফিনল্যান্ডের তুরকো ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের গবেষকদের হৃদরোগ বিষয়ক ম্যাগাজিন 'ইউরোপিয়ান জার্নাল অব প্রিভেন্টিভ কার্ডিওলজি' প্রকাশ করেছে যে, অবিবাহিতদের চেয়ে বিবাহিত ব্যক্তিদের হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম। এমনকি বিবাহিতদের হার্ট অ্যাটাক হলেও তা অবিবাহিতদের তুলনায় দ্রুত ভালো হয়ে যায়।


০৫. অসুস্থতা দ্রুত ভালো হয়ে যায়ঃ গবেষণায় দেখা গেছে যে বিবাহিতরা অসুস্থ হলে বা বড় কোনো অপারেশন হলে অবিবাহিতদের তুলনায় দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। এর পেছনে কারণ হিসেবে ধারণা করা হয়েছে যে বিবাহিত দম্পতিরা একে অপরের অসুস্থতায় সেবা-যত্ন করে এবং সুবিধা-অসুবিধার দিকে খেয়াল রাখে। তাই বিবাহিতরা যে কোনো অসুস্থতায় অন্যদের তুলনায় দ্রুত সুস্থ হয়।

No comments:

Post a Comment