কাঁচা কলার কয়েকটি উপকারিতা

কাঁচা কলার কয়েকটি উপকারিতা

কাঁচা কলার কয়েকটি উপকারিতা:

কাঁচা কলা খাওয়া কি উপকারী ? এই নিয়ে কেউ কেউ বিতর্ক করেন। তবে পেটের রোগ সারাতে অব্যর্থ দাওয়াই হল কাঁচা কলা। কাঁচা কলার অন্যান্য উপকারিতাও রয়েছে।
কিন্তু যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে কাঁচা কলা খাওয়াটা একদম ঠিক নয়। তাই কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা বা অপকারিতা নিয়ে নানা মুনির নানা মত রয়েছে। চিকিৎসকরা বলে থাকেন আসলে কিন্তু কাঁচা কলা খাওয়া শরীরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের মোক্ষম দাওয়াই। এক ঝলকে জেনে নেওয়া যাক কাঁচা কলার কয়েকটি উপকারিতা
কাঁচা কলার উপকারিতা
1. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা- হাই প্রেশারের সমস্যায় আজকের দিনে বেশির ভাগ মানুষই ভোগেন, তবে ওষুধ খেলে সাময়িক ভাবে কমে। আবার যা-তাই হয়ে যায়। সোজা কথা, ওষুধের উপর নির্ভরশীল হতেই হবে। কাঁচা কলা এ ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী। কাঁচা কলায় থাকা পটাশিয়াম শরীরের বিভিন্ন শিরা উপশিরায় তৈরি হওয়া প্রেসার কমিয়ে রাখে। এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সমস্যা কমে যায়।

2. পেট ঠান্ডা রাখে- কাঁচা কলায় থাকা অতিরিক্ত পরিমাণে ফাইবার পেটের যে কোনও সমস্যা সমাধানে দ্রুত কাজ দেয়। তাই কাঁচা করার সিদ্ধ কিংবা কাঁচা কলা ভেজানো পানি খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

3. খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়- কাজ কলায় থাকা প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল একেবারে বের করে দিতে সাহায্য করে । এর ফলে হার্ট এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ সতেজ থাকে।

4. উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করে- কাঁচা কলা খেলে শরীরের মধ্যে ইন্টেস্টাইন ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে এবং শরীরের বিভিন্ন সমস্যা সহজেই দূর করে।

5. পটাসিয়ামের ঘাটতি দূর করে- কাঁচা কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে যা এক দিকে যেমন রক্তের ক্ষতিকারক উপাদান দূর করে ঠিক তেমনই নার্ভ এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলিকে সতেজ রাখে। তাই প্রতিদিন কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন।
6. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে- ব্লাড সুগারের মাত্রা রোধ করতে কাঁচা কলার গুণের জুড়ি মেলা ভার, নিয়মিত অন্তত এক টুকরো করে কাঁচা কলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা চমৎকার বজায় থাকে।
7. ওজন কমাতে সাহায্য করে- আজকের দিনে ওজনের সমস্যা কার নেই? কাঁচা কলায় থাকা রেজিস্টেন্স উপাদানটি হজম হতে সময় নেয় এর ফলে অনেকক্ষণ খিদে পায় না তাই দীর্ঘক্ষণ খাবার না খেলে ওজন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
8. ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে- যাঁদের শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি রয়েছে তাঁদের বিশেষ করে ভিটামিন বি এবং ভিটামিন সি চাহিদা মেটানোর জন্য কাঁচা কলা অবশ্যই খাওয়া উচিত। এ ছাড়াও ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য কাঁচা কলা খাওয়া উপকারী।
9. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়- যারা দীর্ঘদিন ধরে রোগাক্রান্ত তাদের জন্য কাঁচা কলা পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শিং মাছের সাথে বা কৈ মাছের সাথে কাঁচা কলার পাতলা ঝোল রোগীর পথ্য হিসেবে বিবেচিত।

No comments:

Post a Comment